জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে এক মুরগির খামারের কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে রাস্তার পাশের খাদে ফেলে রাখা হয়।
নিহত ওমর ফারুক (৩৫) উপজেলার দীপ্তিবাটী (গারো বাজার) এলাকার হেমন্তের ছেলে। তিনি স্থানীয় রফিক ফকিরের মুরগির খামারে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যায় ওমর ফারুক একটি ভ্যানগাড়ি নিয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। রাতে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে সোমবার সকালে উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের হান্নান মাস্টারের বাড়ির পাশের একটি খাদে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেন। পরে লাশটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতের স্ত্রী তানিয়া জানান, প্রতিদিনের মতো কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলেও সেদিন রাতে তার স্বামী আর ফিরে আসেননি। সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে ওমর ফারুককে হত্যা করে লাশ খাদে ফেলে রেখে যায়। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। একই সঙ্গে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।”



