যমুনায় নিখোঁজ শিক্ষার্থীর লাশ মিললো পদ্মায়

সোমবার দুপুরে পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর নটাখোলা পয়েন্টে গোসল করতে নামে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাই। গোসল করার একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় দু’জন।

গোলাম মঞ্জুরে মাওলা অপু, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ)

Location :

Louhajang
যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ কিশোরের লাশ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার
যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ কিশোরের লাশ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার |প্রতীকী ছবি

পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া শিক্ষার্থীর লাশ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া লাশটি যমুনায় নিখোঁজ রাতুল রায় বিনয়ের (১৫) বলে নিশ্চিত করেছেন মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো: মালেক খসরু খান।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে লৌহজং উপজেলার কনকসার বাজার সংলগ্ন ঋষিপাড়া খালের মুখে পদ্মা তীরবর্তী স্থান থেকে ভাসমান অবস্থায় মাওয়া ও পাবনার কাজীরহাট নৌ-পুলিশ যৌথভাবে লাশটি উদ্ধার করে।

নিহত রাতুল রায় বিনয় টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ধলতোষা গ্রামের অনুতোষ রায়ের ছেলে।

বিকেলে মাওয়া নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মালেক খসরু খান নয়া দিগন্তকে জানান, এলাকাবাসীর মাধ্যমে লৌহজং উপজেলার কনকসার বাজার সংলগ্ন এলাকার পদ্মাতীরে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশের খবর পায় মাওয়া নৌ-পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, নদীর স্রোতের টানে আশপাশের কোনো এলাকা থেকে লাশটি এখানে ভেসে আসতে পারে।

স্থানীয় নৌ-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে পাবনার বেড়া উপজেলায় যমুনা নদীর নটাখোলা পয়েন্টে গোসল করতে নামে মামাতো-ফুফাতো দুই ভাই। দু’জনই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার খানপুরা মধ্যপাড়া এলাকায় নিমাই করাতির বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।

গোসল করার একপর্যায়ে নদীর তীব্র স্রোতে তলিয়ে যায় দু’জন। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

পরে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে যমুনা নদীর কাজিরহাট ঢালারচর এলাকার দাশপাড়া পয়েন্ট থেকে প্রভাত সরকার (১৫) নামের এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়। আর আজ নিখোঁজ অপর কিশোর রাতুল রায় বিনয়ের লাশ উদ্ধার করা হলো পদ্মা থেকে।

মাওয়া নৌ-পুলিশের ইনচার্জ মালেক খসরু খান আরো জানান, নদীতে নিখোঁজ ওই কিশোরের পরিবার ও কাজীরহাট নৌ-পুলিশকে খবর দেয়া হলে তারা এসে লাশটি শনাক্ত করে এবং নিশ্চিত হয় যে, এটি রাতুল রায় বিনয়ের লাশ। পরে কাজীরহাট নৌ-পুলিশ ও রাতুলের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।