বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রশাসনের অভিযানে ৩০ শতাংশ খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানের সময় সরকারি জমিতে গড়ে তোলা আটটি নির্মাণাধীন ভবন ভেঙে অপসারণ করা হয়। এছাড়া সরকারি জমির শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগে চিতলমারী থানায় ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শহিদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে কলাতলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল ওহাব গাছ কাটার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: জবরুল শেখ বলেন, দুই মাস আগে বোয়ালিয়া গ্রামের বাদশাহ গাজীর কাছ থেকে আমরা ১১৬.৮৩ ডেসিমাল জমি কিনি। ২২ জুলাই দুপুরে উপজেলা প্রশাসন আমাদের তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্থাপনা সরাতে বললেও, সেদিন বিকেল ৫টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে আমাদের স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়। এটি আমাদের প্রতি অন্যায় হয়েছে। এছাড়া গাছ কাটার সাথে আমরা জড়িত নই।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শহিদুর রহমান জানান, এজাহার পেয়ে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার জানান, বোয়ালিয়া ভ্যান স্ট্যান্ড সংলগ্ন সরকারি জমিতে উঁচু টিনের বেড়া দিয়ে অবৈধভাবে পাকা ইমারত নির্মাণের খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। এ সময় বোয়ালিয়া মৌজার এক নম্বর খাস খতিয়ানের ১০৭৪ দাগের ৩০ শতাংশ জমি উদ্ধার করা হয়েছে। একই সাথে গাছ কাটার অপরাধে ভূমি কর্মকর্তাকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।



