ঝালকাঠিতে জননিরাপত্তার স্বার্থে ২৫ ব্যক্তির মালিকানাধীন ৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র ও গুলি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। লাইসেন্স বাতিল হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত জেলা প্রশাসক মো: মমিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, আর্ম অ্যাক্ট ১৮৭৮-এর ১৮(ক) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা-২০২৫-এর ১৯(চ) ধারা অনুযায়ী জননিরাপত্তার স্বার্থে এসব লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিল হওয়া অস্ত্রের মালিকদের মধ্যে রয়েছেন সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, ডা: সৈয়দ জহুরুল হক (স্বপন), মো: ফরিদুজ্জামান (জাহাঙ্গীর), মো: সোহেল আহমেদ, মো: জাকির হোসেন, মো: মনিরুল ইসলাম তালুকদার, মো: কামাল শরীফ, ইয়াসমিন আক্তার পপি, নারগিস আক্তার, চন্দ্র শেখর হালদার, শাহীন মৃধা (তারেক), হাফিজ আল মাহমুদ, রেজাউল করিম জাকির, আলম হোসেন, এস এম রুহুল আমিন (রিজভী), আব্দুর রহিম মিয়া (বাবুল), আমিনুল ইসলাম খান লিটন, এম এ কুদ্দুস খান, আরিফুর রহমান, আরিফ হোসেন, মাজেদ হাসান, ঝালকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র আফজাল হোসেন, পলাশ মণ্ডল, মজিবুল হক আকন্দ ও লোকমান মল্লিক।
তালিকায় পয়েন্ট ২২ ও পয়েন্ট ৩২ বোরের এনপিবি পিস্তল ছাড়াও ১২ বোর শর্টগান ও বন্দুকের লাইসেন্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কয়েকজন লাইসেন্সধারীর একাধিক আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সও বাতিল করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে লাইসেন্সগুলো বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অস্ত্র ও গুলি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


