খাগড়াছড়ি আসনের ‘১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী এ অঞ্চলে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও চাকমা, মারমা, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আমরা জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণমূলক, বৈষম্যহীন ও চাঁদাবাজমুক্ত সম্প্রীতির দেশ গড়ব।’
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে জেলার দারুল আইতাম সম্মেলন কক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা উদ্বোধন উপলক্ষে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এয়াকুব আলী চৌধুরী বলেন, ‘গত ৫৪ বছরে এ আসন থেকে যত এমপি-মন্ত্রী হয়েছিলেন, তারা জনগণের সামনে উন্নয়ন খাতগুলোর বাজেট তথা আয়-ব্যয় উপস্থাপন করেননি। আগামীতে এ অঞ্চলের জনগণ ১০ দলের প্রার্থী হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করলে জনগণের সামনে সব ধরনের বাজেটের আয়-ব্যয়ের হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রকাশ করার মাধ্যমে একটি জবাবদিহিতামূলক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করব।’
এ সময় তিনি শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, কৃষি, অর্থনীতিসহ জীবনমান উন্নয়নে এলাকার বিদ্যমান সমস্যাসমূহ দূর করে অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা স্থানীয়ভাবে হস্তশিল্পে ভূমিকা রাখছেন। তাদের এ অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রসারিত করে এ অঞ্চলের অর্থনীতির চাকা সচল করা সম্ভব। মেধাবীরা আগামীর ভবিষ্যৎ। মেধাগুলোকে যথাযথ মূল্যায়নের জন্য আমরা এ অঞ্চলে একটি মেডিক্যাল কলেজ, শিল্পকারখানা স্থাপনসহ উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান সর্বোপরি সার্বিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দেবো। এ অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত। আমরা ঘুষ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীমুক্ত দেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির সৈয়দ আব্দুল মোমেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজি, সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান ফারুকী, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মো: নুর আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ নেওয়াজ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মো: আব্দুস সাত্তার, জামায়াতের সদর উপজেলা আমির মো: ইলিয়াসসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।



