গত কয়েকদিন ধরে কুয়াশার চাদরে ঢেকে আছে ‘চায়ের রাজধানী’ খ্যাত পর্যটন এলাকা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। দিনের বেলায়ও এ জনপদে সূর্যের দেখা মিলছে না। সেইসাথে বইছে মৃদু শত্যপ্রবাহ। হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের চা শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
স্থানীয় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী মো: আনিসুর রহমান জানান, শীতপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলে প্রতিদিনই তাপমাত্রা নিচের দিকে নামছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ও ৯টায় শ্রীমঙ্গলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরো জানান, এর আগে গত বুধবার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক দুই ডিগ্রি এবং এর আগের দিন মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তামপাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
‘কুয়াশার কারণে সূর্যের আলো না পাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে,’ বলেন তিনি।
এদিকে, শীত বাড়ার সাথে সাথে চা-বাগান এলাকার বাসিন্দা ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে ধুলোবালিযুক্ত বাতাসের কারণে সর্দি, কাশি, অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। একইসাথে জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে।



