নাগরপুরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার পর মাটিচাপা, গ্রেফতার ১

শ্বাসরোধে হত্যা পর মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় এক কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

Location :

Tangail
নিহত মো: শামিম
নিহত মো: শামিম |নয়া দিগন্ত

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শ্বাসরোধে হত্যা পর মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় মো: শামিম (২৩) নামে এক কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অনিক (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে মাটিচাপা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শামিম ভাদ্রা ইউনিয়নের পং ভাদ্রা গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি সাইক ইনিস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।

গ্রেফতার অনিক উপজেলার ভিকন ভাদ্রা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে অনিক ফোন করে শামিমকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শামিম নিখোঁজ হন। স্বজনরা সম্ভ্যাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেন কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শামিমের বাবা নাগরপুর থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেন।

শামিমের কল লিস্টের সূত্র ধরে সোমবার রাতে অনিককে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে শামিমকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ তার বাড়ির পাশে চাপা দেয়া কথা স্বীকার করেন। পুলিশ অনিকের বাড়ি থেকে শামিমের মোবাইল ফোন উদ্বার করে ও মঙ্গলবার সকালে তার দেয়া তথ্যমতে ঘটনাস্থল থেকে শামিমের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত লাশটি উদ্বার করে।

নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক বলেন, ‘ঘাতক অনিক শামিমের মোবাইল থেকে আমার বাড়িতে ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়।’ তিনি সন্তান হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জহুরুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্বার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনিক নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনিক একজন মাদকাসক্ত ও মাদককারবারি। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে বেশকিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।