চুয়াডাঙ্গা আদালতে প্রথমবার ভার্চুয়ালি সাক্ষ্যগ্রহণ

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত হলেন ঢাকার চিকিৎসক

চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিমুল কুমার বিশ্বাস হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দু’টি মামলার সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

হুসাইন মালিক, চুয়াডাঙ্গা

Location :

Chuadanga
চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
চুয়াডাঙ্গা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত |নয়া দিগন্ত

চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

সোমবার (১৯ মে) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিমুল কুমার বিশ্বাস হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দু’টি মামলার সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিচারাধীন টিআর ২২২/২০২২ ও টিআর ০১/২০২৪ নম্বর মামলায় সাক্ষ্য দেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক ডা: সাদিয়া মা-আরিজ। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট টিআর ০১/২০২৪ মামলার মরহুম ব্যক্তি মিসকাতুল জান্নাত মীম (১৬)-এর পোস্টমর্টেম করেন এবং ২০২২ সালের ১ জুন টিআর ২২২/২০২২ মামলার ভিকটিম মো: আব্দুল হান্নানকে (৬০) পরীক্ষা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) আবেদনের প্রেক্ষাপটে আদালত ভার্চুয়াল সাক্ষ্যগ্রহণের অনুমতি দেন। এরপর ডাক্তার সাদিয়া মা-আরিজকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মামলার আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। আসামিপক্ষে জেরা করেন অ্যাডভোকেট মো: আফজালুল হক ও অ্যাডভোকেট মো: আত্তাব আলী।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রণীত ভার্চুয়াল সাক্ষ্যগ্রহণের প্র্যাকটিস নির্দেশনা অনুসরণ করেই এ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা আদালতে এটি ভার্চুয়াল সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম ঘটনা হিসেবে নজির সৃষ্টি করেছে।