কুমিল্লার দেবিদ্বারে এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর পক্ষে ও বিপক্ষে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে প্রথমে দেবিদ্বার উপজেলা সদরে জুলাই অভ্যুত্থানে আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র জনতার ব্যানারে তার পক্ষে মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর একই স্থানে বিএনপির একাংশের নেতা ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা হাসনাতের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে।
এর আগে, গত ১৬ মে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত একটি সমাবেশে ‘কুমিল্লার অনেক উপজেলায় বিএনপির রাজনীতি চলে আওয়ামী লীগের টাকায়’ বলে মন্তব্য করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তার এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা ৭ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার আল্টিমেটাম দেন। অন্যথায়, তাকে কুমিল্লায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার হুমকি দেয়া হয়।
বিএনপির এই ঘোষণার প্রতিবাদেই জুলাই অভ্যুত্থানে আহত, শহীদ পরিবার ও ছাত্র জনতার ব্যানারে প্রথমে হাসনাত আব্দুল্লাহর পক্ষের মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জুলাই শহীদ তন্ময়ের বাবা, শহীদ মহিউদ্দিনের মা, আহত তানভির হাসান তুষার ও ইয়াছিন আরাফাত। এ সময় বক্তারা বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহকে হুমকি দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না। এমন হুমকি নতুন নয়। বার বার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কোনো হুমকি ও ষড়যন্ত্র করে তার জনপ্রিয়তা নস্যাৎ করা যাবে না।
এই ঘটনার জেরেই বিএনপির নেতাকর্মীরা পরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বাসভবন থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তিযুদ্ধ চত্বরে এসে সমাবেশ করে।
এই সমাবেশ থেকেও হাসনাত আব্দুল্লাহকে তার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করেন ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সুলতান কবির আহাম্মদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি সুফিয়া বেগম, আবুল কালাম প্রমুখ।



