২ বছরেও সংস্কার হয়নি গাবখান বাজার সেতু, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ

‘রেলিং ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে সেতু পারাপারে গাড়ি চালক ও পথচারীদেরর চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।’

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

Location :

Jhalokati Sadar
সেতুর রেলিং ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকিতে স্থানীয়রা
সেতুর রেলিং ভেঙে যাওয়ায় ঝুঁকিতে স্থানীয়রা |নয়া দিগন্ত

ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান বাজার সংলগ্ন একটি সেতু দীর্ঘ দুই বছরেও সংস্কার না হওয়ায় চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন আশপাশের সাধারণ মানুষ। সেতুটির বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন কয়েকটি ইউনিয়ন ও পার্শ্ববর্তী কাউখালী উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে সেতুটির দুই পাশের কনক্রিট রেলিং ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে ধীরে ধীরে সেতুটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয় এবং একাধিক স্থানে রড বের হয়ে গেছে। এতে সেতুটি এখন মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

গুত্বপূর্ণ এই সড়কটি ঝালকাঠি শহরের সাথে শেখেরহাট ইউনিয়ন ও কাউখালী উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। প্রতিদিন এই পথে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অসংখ্য শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চলাচল করেন। পাশাপাশি ভারী যানবাহনও নিয়মিত চলাচল করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বেড়েছে।

গাবখান এলাকার সমাজসেবক মো: বাদল বলেন, ‘রেলিং ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে সেতু পারাপারে গাড়ি চালক ও পথচারীদেরর চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও চরম আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী এক পল্লী চিকিৎসক জানান, প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে ঝালকাঠি থেকে শেখেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে হয়। তিনি বলেন, ‘সেতু পার হওয়ার সময় সবসময় আতঙ্ক কাজ করে। দ্রুত সংস্কার হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।’

শেখেরহাট ইউনিয়নের বাসিন্দা মো: জুয়েল বলেন, ‘এটি দুই উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক। প্রতিদিন ভারী যানবাহন চলাচল করে। সেতুটি ভেঙে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দফতরে বিষয়টি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। দ্রুত সেতুটি সংস্কার বা পুননির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।