মহাদেবপুরে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেয়ার অভিযোগে নারী আটক

নওগাঁর মহাদেবপুরে তিনজনকে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দিয়ে আরো ১০ জনকে কার্ড দেয়ার কথা বলে মোট ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা নেয়ার অভিযোগে জনি আক্তার জুঁই (৩৫) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

মহাদেবপুর (নওগাঁ) সংবাদদাতা

Location :

Mohadevpur
অভিযুক্ত জনি আক্তার জুঁই (৩৫)
অভিযুক্ত জনি আক্তার জুঁই (৩৫) |নয়া দিগন্ত

নওগাঁর মহাদেবপুরে তিনজনকে ভূয়া প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দিয়ে আরো ১০ জনকে কার্ড দেয়ার কথা বলে মোট ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা নেয়ার অভিযোগে জনি আক্তার জুঁই (৩৫) নামে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগীদের পৃথক অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাকে আটক করে মহাদেবপুর থানা পুলিশ।

আটককৃত জনি আক্তার জুঁই উপজেলার ভীমপুর উত্তরপাড়া গ্রামের হামিদুল ইসলামের স্ত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জনি আক্তার জুঁই উপজেলার ভীমপুর গ্রামের মোছা: তহমিনা, মোছা: আনোয়ারা, মোছা: মনোয়ারা, রেনুকাসহ ভীমপুর গ্রামের তিনজনকে ভূয়া প্রতিবন্ধী কার্ড দেয়াসহ মোট ১৩ জনের কাছ থেকে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা নেন। কার্ড করে দিতে ব্যর্থ হলে সবার টাকা ফেরত দেয়া হবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এরমধ্যে গত ১৬ আগস্ট ভুক্তভোগীদেরকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার কথা বলে ডেকে নেয়া হলেও সেখানে নানা অজুহাতে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি। পরে গত ২০ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগীরা তার বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চান। একপর্যায়ে টাকা ফেরত দেয়ার জন্য চাপ দিলে সে তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেয়।

এ ঘটনায় তহমিনা ও রেনুকা বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মহাদেবপুর থানায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে জনি আক্তার জুঁইকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।

জানতে চাইলে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওমর ফারুক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা থানায় অবস্থান করছে। তারা এজাহার দাখিল করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’