বাউফলে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা, জামায়াতের বিক্ষোভ

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাবাজারস্থ জামায়াত কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোলাবাড়ি এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

Location :

Bauphal
মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ
মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ |নয়া দিগন্ত

মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাবাজারস্থ জামায়াত কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোলাবাড়ি এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক খালিদুর রহমান, নির্বাচন পরিচালক আতিকুর রহমান নজরুল এবং আইন বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মুনতাসির মুজাহিদ। এ সময় পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা সেলিমুর রহমানসহ উপজেলা ও পৌরসভার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রশাসনের সামনেই জামায়াত নেতাদের ওপর হামলা চালায়। এছাড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী ও ফল ব্যবসায়ী আল আমিনের ওপর হামলার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়।

তারা আরো অভিযোগ করেন, ২৮ মার্চ জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দাসপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ইব্রাহিম খলিল ও সেক্রেটারি নাজিম হাওলাদারের ওপর মামুন মেম্বার ও যুবদল নেতা ফিরোজের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। এ সময় তাদের রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে দাবি করেন বক্তারা।

ঘটনাগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের হামলা বন্ধ না হলে এবং প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন। পাশাপাশি বাউফলের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নেতাকর্মীরা রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন।