কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বৃদ্ধা মা জুলেখা খাতুনের (৬৫) জানাজায় অংশ নিতে এসে মৃত্যু হয়েছে ছেলে আবু বাক্কার ছিদ্দিকের (৩৫)।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় অগ্রেরকোনা গ্রামে ছিদ্দিকের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবু বাক্কার ছিদ্দিক উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের অগ্রেরকোনা গ্রামের মরহুম হারিছ মিয়ার ছেলে।
বৃহস্পতিবার রাতে মা জুলেখা খাতুনের ও শুক্রবার (৫ জন) সকাল ১০টায় আবু বাক্কার ছিদ্দিকের জানাজায় নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পাশাপাশি স্থানে সমাহিত করা হয়।
নিহত আবু বাক্কার ছিদ্দিকের স্ত্রী শরিফা আক্তার বলেন, আমার স্বামী ঢাকায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করার কারণে আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে ননদ সালমা মোবাইলফোনে জানান শাশুড়ি মারা গেছেন। আমার স্বামী তার মাকে ভীষণ ভালবাসতো, মাকে ছাড়া কিছুই বুঝত না।
তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনলে ঢাকায় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এ আশঙ্কায় আমি তাকে মৃত্যুর খবর না জানিয়ে বলেছি, আম্মা অনেক অসুস্থ তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে এসে মায়ের লাশ দেখেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আমার স্বামী। পরে তাকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীই ছিল আমাদের সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: মিঠুন রানা জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসার আগেই আবু বাক্কার ছিদ্দিকের মৃত্যু হয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তারপরও অধিকতর নিশ্চিতের জন্য ইসিজি করা হয়।



