পাবনার ঈশ্বরদীতে পাকশী ইউনিয়ন সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল খালেক খাঁর ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে পাকশী ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও ভুক্তভোগী আব্দুল খালেক খাঁর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল খালেক খাঁ অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে হামলার মূল অভিযুক্তরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
তিনি বলেন, গত ৯ জুন রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময় ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। একটি গুলি তার পায়ের পাশ ঘেঁষে চলে যায়। পরে হামলাকারীরা তাকে লোহার রড ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। চিকিৎসকরা তার হাত-পা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের অনুসারী শাহানুজ্জামান সেনা, আলমসহ কয়েকজনকে হামলার জন্য দায়ী করেন। তার দাবি, রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, থানায় ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হলেও মামলায় মাত্র দুইজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ভূমিকা না থাকারও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী লিটন হোসেন, আব্দুর রশিদ খাঁ, আব্দুল মান্নান বিশ্বাস ও আকমল হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, উদ্ধার হওয়া গুলির খোসা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।



