বঙ্গোপসাগরের সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকা থেকে মাছ ধরার সময় ১২ জেলেসহ একটি ইঞ্জিন চালিত কাঠের ট্রলার অপহরণ করেছে জলদস্যুরা।
বুধবার (২০ মে) দুপুর দেড়টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
অপহরণকৃত জেলেরা হলেন ট্রলার মালিক মো: মাসুম, মো: ইব্রাহিম (৩৮), ইয়াসিন (২৪), মো: হোসেন, তাওহীদ (২২), মো: সেলিম, মো: ইয়াসিন (১৮), মো: জাকির মুন্সি (৫৫), মো: হানিফা (৩৫), হৃদয় (২৪) ও সুমন (৩০)। অপর একজনের নাম জানা যায়নি। সকলের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামে বলে জানা গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১২টার মধ্যের কোনো এক সময় এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। তবে কারা অপহরণ করেছে তা জানা যায়নি।
স্থানীয় ও ট্রলার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত দুই থেকে তিনদিন আগে নামবিহীন কাঠের তৈরি তিনটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে রুহিতা এলাকা থেকে জেলেরা গভীর সাগরে মাছ শিকার করতে যান। মঙ্গলবার আনুমানিক রাত ৯টা থেকে ১২টার মধ্যে সুন্দরবন সংলগ্ন কটকা এলাকায় একদল সশস্ত্র জলদস্যু ওই ট্রলারগুলোতে হামলা চালায়। দস্যুরা ট্রলারে থাকা জেলেদের জিম্মি করে ১২ জন জেলেসহ একটি ট্রলার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গভীর বনের দিকে চলে যায়। তবে জলদস্যুরা জেলে ও ট্রলারটিকে কোথায় নিয়ে গেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনের কটকা এলাকা থেকে ১২ জেলেসহ একটি ট্রলার জলদস্যুরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে। জেলেদের উদ্ধারে মৎস্যজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কোস্টগার্ডের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার এবং দস্যুদের দমনে দ্রুত অভিযান শুরু হবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোস্টগার্ডের এক কর্মকর্তা মোবাইলে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। জেলেদের উদ্ধারে মোংলা এবং পাথরঘাটা কোস্টগার্ড যৌথভাবে কাজ করছে।’



