কুতুবদিয়াতে হামিদুর রহমান আযাদ

দেশীয় চাষিদের বাঁচাতে লবণ আমদানি বন্ধ প্রয়োজন

তিনি স্থানীয় লবণ চাষিদের স্বার্থরক্ষা, কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে দ্রুত লবণ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

বিশেষ সংবাদদাতা
কুতুবদিয়াতে হামিদুর রহমান আযাদ
কুতুবদিয়াতে হামিদুর রহমান আযাদ |ছবি : নয়া দিগন্ত

দেশীয় লবণ চাষিদের বাঁচাতে হলে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি দেশীয় লবণ চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় লবণ শিল্পকে রক্ষার স্বার্থে অবিলম্বে লবণ আমদানি বন্ধ করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার ৩নং লেমশীখালী ইউনিয়ন তৃণমূল কর্মী সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।

এ সময় ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দেশে পর্যাপ্ত লবণ মজুদ আছে। ইতোমধ্যে লবণ চাষ শুরু হওয়া সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয় আমদানির কারণে চাষিরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় উৎপাদকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারকে এখনই কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, মহেশখালী–কুতুবদিয়ার লবণ চাষিরা কঠোর পরিশ্রমে দেশের চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করেন। অথচ বাজারে কম দামে বিদেশী লবণ আসায় তাদের উৎপাদন ব্যয়ও উঠছে না। ফলে একদিকে চাষিরা লোকসান গুনছে, অন্যদিকে স্থানীয় শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়ছে।

তিনি অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান। পাশাপাশি লবণের সুষ্ঠু মজুদ, পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হলে এ খাত আরো শক্তিশালী হবে বলেও মত প্রকাশ করেন।

তিনি স্থানীয় লবণ চাষিদের স্বার্থরক্ষা, কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা এবং জাতীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে দ্রুত লবণ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

ইউনিয়ন সেক্রেটারি খুরশেদ আলমের সঞ্চালনায় এবং ইউনিয়ন সভাপতি রেজাউল করিম রাজুর সাভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির আ স ম শাহরিয়ার চৌধুরী, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল আমিন, বাংলাদেশ মজলিসুল মুফাসসিরিন কুতুবদিয়া উপজেলা সভাপতি অধ্যক্ষ আবু মুসা, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা ইসমাঈল হোসেন কুতুবি, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মোহাম্মদ বিন ইবরাহিমসহ বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দ।