কক্সবাজারে ভিন্ন আবহে ইসলামী সাংস্কৃতিক উৎসব

আমাদের শিশু-কিশোর ও যুব সমাজকে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে হলে শুদ্ধ, পবিত্র ও পরিশীলিত সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে। শিশু-কিশোর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও লালনে এই আয়োজন কক্সবাজারের অঙ্গনে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও (কক্সবাজার)

Location :

Cox's Bazar
কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা
কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পীরা |নয়া দিগন্ত

আতিকুর রহমান মানিক, ঈদগাঁও ( কক্সবাজার )

কক্সবাজারে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ইসলামী সাংস্কৃতিক উৎসব 'তোহফায়ে রমাদান' ও প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার ( ১০ মার্চ) সম্পন্ন হয়েছে ।

এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) কক্সবাজার পাবলিক হল মাঠে ব্যতিক্রমধর্মী এ অনুষ্ঠান শুরু হয়৷

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের কক্সবাজার জেলা সভাপতি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সাংস্কৃতিক উৎসব ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানছুর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমাদের শিশু-কিশোর ও যুব সমাজকে অপসংস্কৃতির আগ্রাসন থেকে রক্ষা করতে হলে শুদ্ধ, পবিত্র ও পরিশীলিত সংস্কৃতির ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে। শিশু-কিশোর সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও লালনে এই আয়োজন কক্সবাজারের অঙ্গনে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। দেশব্যাপী এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে মাহে রমাদানের খুশির বারতা সকলের হৃদয়ে ছড়িয়ে দিতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

দুই দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবে ক্বিরাত, ইসলামী সংগীত ও ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে তিনি পুরস্কার তুলে দেন এবং মঞ্চে গান পরিবেশন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা দেলাওয়ার হোছাইন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা রফিক বিন ছিদ্দিক, তানজিমুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু সায়েম ফোরকান, শিল্পী ইকবাল হাসান, স্পন্সর সাইদুল্লাহ, ইঞ্জিনিয়ার মোতাহেরুল হক প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ফরিদুল আলম।

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসবে মঞ্চ পরিবেশনা করে শতাব্দী শিল্পী গোষ্ঠী, চকরিয়া কালচারাল ফোরাম, অনির্বাণ শিল্পী গোষ্ঠী, কলরব শিল্পীগোষ্ঠী, অনিন্দ্য একাডেমী, পালংকি শিল্পী গোষ্ঠী, প্রবাল শিল্পী গোষ্ঠী, মনোরম শিল্পী গোষ্ঠী, অর্ণব শিল্পী গোষ্ঠী। সাংস্কৃতিক উৎসবে মঞ্চ পরিবেশনার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের স্টল, শিশুদের বিনোদনের ব্যবস্থাসহ ছিল হরেক রকম আয়োজন।