সাশ্রয় হবে ১৪ কোটি টাকা

সিসিকের উদ্যোগে মেরামত হচ্ছে ২০ যানবাহন

নতুন যানবাহন ক্রয় করতে হলে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা ব্যয় হতো। কিন্তু পুরোনো অকেজো যানবাহনগুলো মেরামতের মাধ্যমে মাত্র এক কোটি ৩৫ লাখ টাকায় ২০টি গাড়ি পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে।

এমজেএইচ জামিল, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
গ্যারেজ উদ্বোধন করছেন সিসিক প্রশাসক
গ্যারেজ উদ্বোধন করছেন সিসিক প্রশাসক |নয়া দিগন্ত

দীর্ঘদিন ধরে গ্যারেজে অচল অবস্থায় পড়ে থাকা ২০টি যানবাহন মেরামত করে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। এতে সাশ্রয় হবে ১৪ কোটি টাকা।

সোমবার (১৬ মার্চ) নগরীর তোপখানাস্থ সিসিকের পরিবহন শাখায় ফিতা কেটে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। একই সাথে সেখানে নবনির্মিত আধুনিক শেডেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ সজীব জানান, নতুন যানবাহন ক্রয় করতে হলে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা ব্যয় হতো। কিন্তু পুরোনো অকেজো যানবাহনগুলো মেরামতের মাধ্যমে মাত্র এক কোটি ৩৫ লাখ টাকায় ২০টি গাড়ি পুনরায় সচল করা সম্ভব হবে। এতে প্রায় ১৪ কোটিরও বেশি টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে। সিসিকের সব শাখায় খরচ সাশ্রয়ের চেষ্টা চলছে। তবে গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রকৌশলীরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মেরামত কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রতিটি যন্ত্রাংশের গুণগত মান, ওয়ারেন্টি এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজে কোনো অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না।’

নতুন শেড নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অতীতে বর্ষাকালে বৃষ্টিতে ভিজে এবং রোদে পুড়ে মেকানিকদের গাড়ি মেরামত করতে হতো। এখন থেকে এই শেডের ভেতরে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে ও দ্রুত কাজ করতে পারবেন। এতে তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে এবং কাজের গতি ও মান বাড়বে।’

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ সজীব, সহকারী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ তামিম, জাবেরুল ইসলাম, শাফায়েত আহমদ, সৈকত ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজন মোহন দত্তসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।