জামালপুরে জোড়া খুনের মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাচা-ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যার মামলায় আদালত ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

খাদেমুল বাবুল, জামালপুর

Location :

Jamalpur
আসামিদের উপস্থিতিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ঘোষণা করা হয়
আসামিদের উপস্থিতিতে জোড়া খুনের মামলার রায় ঘোষণা করা হয় |নয়া দিগন্ত

জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজা হত্যা মামলায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে মৃতদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন শাখাওয়াত, সোহেল, আলআমিন, সাদ্দাম, অন্তর, উজ্জ্বল ও ফয়জুর। এছাড় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন চাঁন মিয়া, জিয়ার, শাহ আলম, কাওছার, সুমন, রিফাত ও মোস্তফা।

সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামি এবং বাদিপক্ষ জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম জানান, একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গানবাজনার কথা বলে শাখাওয়াত ও সোহেল নামে দুই আসামি চাচা মহর আলী ও ভাতিজা স্বপন মিয়াকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে উপজেলার জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার ভানু ফকিরের পাটক্ষেতে নিয়ে দুজনকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে আসামিরা। ঘটনার তিন দিন পর ওই পাটক্ষেত থেকে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত স্বপনের বাবা জাহাঙ্গীর আলম ২২ জনকে আসামি করে ২০১৬ সালের ১৯ মে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ ১০ বছর বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন আদালত।