সাদিক কায়েম

ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে ‘হ্যাঁ’ ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে

অবশ্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-কে বিজয়ী করব, বৈষম্যহীন আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কারণ ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী আর ‘না’ মানে গোলামী, ‘হ্যাঁ’ মানে হাদি আর ‘না’ মানে মোদি। আমরা আমাদের দেশকে আর কখনই অন্য দেশের তাঁবেদারীর জন্য কোনো দলকে লিজ দিতে চাই না। এ জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে গণমানুষের অধিকার নিশ্চিত করাসহ সার্বিক সংস্কারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

মো: জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

Location :

Saidpur
গণভোটে ‘হ্যাঁ’- এর পক্ষে ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে বক্তব্য দিচ্ছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
গণভোটে ‘হ্যাঁ’- এর পক্ষে ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে বক্তব্য দিচ্ছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম |নয়া দিগন্ত

সম্ভাবনার ও ইনসাফের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ও দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে। তাহলেই আগামীর স্বপ্নময় বাংলাদেশে জনগণের সরকার গঠনের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রকৃত ধারা প্রবাহিত হবে। নয়তো পতিত ফ্যাসিস্টের গ্যাড়াকলেই আবার প্রিয় জন্মভূমি নিপতিত হবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় নীলফামারীর সৈয়দপুরে গণভোটে ‘হ্যাঁ’- এর পক্ষে ক্যাম্পেইন কার্যক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার আজ ৫৫ বছর ধরে আমরা উত্তরবঙ্গবাসী অবহেলিত। সব সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের হাতে ক্ষমতা না থাকায় পদে পদে বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে রংপুরসহ এই জনপদের মানুষদের। আমরা আর এই ধারা চলতে দিতে পারি না। এ কারণেই ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট তারুণ্য নির্ভর সৎ ও যোগ্য নেতাদের সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমরা তাদের ভোট দিয়ে দেশপ্রেমিক সরকার গঠনের জন্য সংসদে পাঠাব। এরই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর এ আসনটিও ডা: শফিকুর রহমানকে উপহার দিতে হাফেজ আব্দুল মুনতাকিশ ভাইকে বিজয়ী করব, ইনশাআল্লাহ।’

সাদিক কায়েম বলেন, ‘অবশ্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-কে বিজয়ী করব, বৈষম্যহীন আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কারণ ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী আর ‘না’ মানে গোলামী, ‘হ্যাঁ’ মানে হাদি আর ‘না’ মানে মোদি। আমরা আমাদের দেশকে আর কখনই অন্য দেশের তাঁবেদারীর জন্য কোনো দলকে লিজ দিতে চাই না। এ জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে গণমানুষের অধিকার নিশ্চিত করাসহ সার্বিক সংস্কারের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য ভোটের দিন প্রথমেই ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করে তারপর ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় সিল মারব। এতে দেশ ও সরকার সমানতালে দেশকে এগিয়ে নিতে পারবে।’

এ সময় তার সাথে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এজিএস ফেরদৌস আল হাসান, ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, রংপুর মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল হুদা, ছাত্রশিবির নীলফামারী শহর সভাপতি মাজেদুর রহমান, নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের ১১ দল সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, সৈয়দপুর শহর জামায়াতের আমির শরফুদ্দিন খাঁন, সেক্রেটারি মাওলানা ওয়াজেদ আলী প্রমুখ।

এর আগে, সাদিক কায়েম ঢাকা থেকে এয়ার স্টার বিমানে করে সৈয়দপুরে এসে পৌঁছান। এখানে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান দলীয় নেতাকর্মীরা। এরপর তিনি সৈয়দপুর শহরের হাতিখানা কবরস্থানে চব্বিশের শহীদ সাজ্জাদ হোসেন কবর জিয়ারত করেন। পরে সেখান থেকে পুলিশ বক্সের সামনে এসে গণভোটে ‘হ্যাঁ’- এর পক্ষের ক্যাম্পেইন শুরু করেন। এ সময় শহরের শহীদ ডা: কিজরুল হক সড়ক ও শেরে বাংলা সড়কে গণসংযোগে অংশ নেন। পরে তিনি নীলফামারী-৪ আসনের অপর উপজেলা কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়া হোন। কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে বিকেল ৫টায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রংপুরে যাবেন বলে জানা গেছে।