সিলেট মহানগর ও আশপাশের এলাকায় ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তনের আগে এখন থেকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অনুমোদন নিতে হবে। ভূমি ব্যবহার, জলাধার খনন ও পুনঃখননের ক্ষেত্রেও নিতে হবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি।
রোববার (১৬ আগস্ট) সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করতে হবে। ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও ভবনের স্থাপত্য, কাঠামো, বৈদ্যুতিক ও পানি-নিষ্কাশন নকশা প্রণয়ন করতে হবে সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে। এসব নকশা ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০২০ অনুসরণ করে তৈরি করতে হবে।
সিউকের চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, পরিকল্পিত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণের লক্ষ্যেই আইন অনুযায়ী এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
এছাড়া আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সিউকের নিবন্ধন নিতে হবে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না। অবৈধ দখল, ভরাট ও পরিবেশের ক্ষতি হয়— এমন কার্যক্রম থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে, আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী, আইন কার্যকর হওয়ার পর সিউকের আওতাভুক্ত বিষয়ে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রম অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।



