ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বিরু মোল্লা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের সাহাপুর মৌজায় একটি অস্থায়ী টয়লেটের পেছন থেকে এসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, পারিবারিক কলহ ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৭ ডিসেম্বর লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের দক্ষিণপাড়া মোল্লাপাড়ায় প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হন বিএনপি নেতা বিরু মোল্লা। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই জহুরুল মোল্লাকে প্রধান আসামি করে ১৮ ডিসেম্বর ঈশ্বরদী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
তিনি আরো জানান, সিপিসি-২ ও র্যাব-১২ (পাবনা)–এর সহায়তায় মামলার প্রধান আসামি জহুরুল মোল্লাকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রঘুনাথপুর এলাকা থেকে রোববার দিবাগত গভীর রাতে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের সাহাপাড়া মৌজায় তার নিজস্ব ৩ নম্বর ইটভাটার পশ্চিম প্রান্তে অভিযান চালানো হয়। সেখানে টিন দিয়ে ঘেরা একটি অস্থায়ী টয়লেটের পেছন থেকে মাটির নিচে পুঁতে রাখা একটি পুরোনো কাপড়ের বাজারের ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগের ভেতর থেকে একটি ওয়ান শুটারগান, একটি বিদেশি রিভলবার, ৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি এবং ২৬ রাউন্ড রিভলবারের গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইটভাটার জন্য মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ১৭ ডিসেম্বর সকালে বিএনপি নেতা বিরু মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করে তার তার চাচাত ভাই জহুরুল মোল্লা।
তার পরিপেক্ষিতে গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ভোরে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন রঘুনাথপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের মুল-হোতা জহুরুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।



