ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেফতার ৩

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের কোলা গ্রামের যুবলীগ নেতা নুরে আলম বিপ্লবের ছেলে ফারহান নিলয় দীঘল, পৌর এলাকার আরাপপুরের বজলুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান সোহেল ও সদর উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আশিক।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
ঝিনাইদহে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল |সংগৃহীত

ঝিনাইদহ শহরে ঝটিকা মিছিল করায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের একাধিক ইউনিট চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের কোলা গ্রামের যুবলীগ নেতা নুরে আলম বিপ্লবের ছেলে ফারহান নিলয় দীঘল, পৌর এলাকার আরাপপুরের বজলুর রহমানের ছেলে মেহেদী হাসান সোহেল ও সদর উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আশিক।

পুলিশ জানায়, সোমবার ভোরে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বর এলাকায় ঝটিকা মিছিল বের করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মীরা। মিছিলের পর ওই দিন দুপুরেই সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজীব আলী সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার প্রধান আসামিরা হলেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল ইমরান, মেহেদী হাসান সোহেল, হোসাইন মোহাম্মদ ফরহাদ, মাহাতাসিন বিল্লাহ জিসান, রাশেদুল হাসান সোহান, ফজলে রাব্বি অনু, বিশ্বাস হাদিউজ্জামান, নিলয় ফারহান দিঘল, আল মাইমুন সংগ্রাম, শেখ সাদী, সেলিম হোসেন, মিশন আক্তার, মেহেদী হাসান সৈকত, বি এম রকিবুল করীম, রবিউল ইসলাম রাব্বি ওরফে অর্ক, ইমরাজ আহম্মেদ, আসিফ হোসেন, আসাদ হোসেন, রানা মিয়া, আবু রেহান কাজল, সানি, সৈয়দ শহরিয়ার ও আবিদ।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে শহরে মিছিল করেছিল। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে।

তিনি জানান, মামলায় গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে ইতোমধ্যে আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।