মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি ও টহল

অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যেন সংঘটিত না হতে পারে, সে লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

Location :

Maulvibazar
সীমান্ত এলাকায় বিজিবির তল্লাশি
সীমান্ত এলাকায় বিজিবির তল্লাশি |নয়া দিগন্ত

ভারত সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত না হতে পারে, সে লক্ষ্যে মৌলভীবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্ত এলাকাজুড়ে বাড়ানো হয়েছে টহল ও নজরদারি কার্যক্রম। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত বিজিবি সদস্যও।

রোববার (১০ মে) শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সদর দফতরের নির্দেশনায় সীমান্তবর্তী স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। একইসাথে আইসিপি সংলগ্ন সীমান্ত সড়ক এবং বিভিন্ন অনুপ্রবেশপ্রবণ এলাকায় বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে সীমান্তের প্রায় ১১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও সীমান্ত এলাকায় কঠোর পাহারা নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করতে না পারে। সীমান্ত এলাকায় সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে চলাচল না করার জন্যও সতর্ক করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি পথ, চা-বাগান সংলগ্ন এলাকা এবং সীমান্তের বিভিন্ন অরক্ষিত পয়েন্টে বিজিবির টহল জোরদার থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝেও স্বস্তি ফিরে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।