দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী

ভূমিকম্পে উদ্ধারকাজে ৭০ হাজার ভলান্টিয়ার প্রস্তুত

‘বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর রয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সেখানে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।’

বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Narayanganj
নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী
নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী |নয়া দিগন্ত

বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের কয়েকটি অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুর রয়েছে। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সেখানে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।’

তিনি বলেন, ‘বড় ধরনের ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে উদ্ধারকাজ অত্যন্ত জরুরি। আমাদের এক লাখ স্বেচ্ছাসেবী (ভলান্টিয়ার) দরকার। এর মধ্যে ৭০ হাজার ভলান্টিয়ার চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে। শিগগিরই তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ঢাকা মহানগরে যদি বড় ধরনের ভূমিকম্প হয়ে যায়, তবে উদ্ধারকৃত লোকজনকে একত্রিত ও জমায়েত করার জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশনের উত্তর ও দক্ষিণে ৪৪৫টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।’

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বন্দরের আমিরাবাদ বক্তারকান্দি এলাকায় গোল্ডেন ফাইবার গ্লাস লিমিটেড চত্বরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর আয়োজিত উপকূলীয় এলাকার ১২টি জেলায় ১২টি উদ্ধারকারী স্পিডবোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর যত ইকুইপমেন্ট (যন্ত্রপাতি) রয়েছে তার তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে কাদের হেলিকপ্টার আছে তাদের তালিকাও সংগ্রহ করা হয়েছে, যাতে উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জাপানি রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী প্রকৌশলী এম ইকবাল হোসাইন এমপি, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইফুর ইসলাম, জাইকার প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিফাতউদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) দীপংকর ঘোষ, বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিবানী সরকার, বন্দর থানার ওসি জামালউদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।