কুমিল্লায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার দায়ে মো. আজাদ নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আজাদ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. ছাদেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আজাদ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মো. কবির হোসেনের ছেলে। ২০২৩ সালের ২৭ জুলাই দিবাগত রাতে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী তানিয়া বেগমকে হাতে-পায়ে বৈদ্যুতিক তার জড়িয়ে শক দিয়ে হত্যা করেন তিনি।
এ ঘটনায় তানিয়ার মা মায়া বেগম বাদী হয়ে আজাদকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তানিয়ার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তার মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আজাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে আদালত আজাদকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
রায় ঘোষণার পর নিহত তানিয়ার স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।



