নির্বাচিত হলে হাতিয়া দ্বীপকে জেলা করা হবে। একুশ শত বর্গ কিলোমিটারের হাতিয়াকে কয়েকটি ইউনিয়ন সৃষ্টি করে দুইটি উপজেলা করা হবে। প্রতিশোধের স্পৃহা না করে সবাইকে নিয়ে আধুনিক হাতিয়া গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দেন নোয়াখালী-৬ হাতিয়া আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসুদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা সদরে ওছখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব ঘোষণা দেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাস্টার বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক, জামায়াতের পৌর মেয়র প্রার্থী সাব্বির আহম্মেদ তাফসির, এলডিপি প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেন বাবুল, এনসিপির উপজেলা সভাপতি শামছুল তিব্রীজ, পৌরসভা এনসিপির সভাপতি মহিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল ওহাব বাবুল, ছাত্রশক্তির সভাপতি নেয়ামত উল্যাহ নিরব সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত এনসিপি ও জামায়েতের নেতাকর্মীরা।
এই সময় আবদুল হান্নান মাসুদ আরো বলেন, আমাদের রাজনীতি হলো হাতিয়াকে গোলামির রাজনীতি থেকে মুক্ত করা। ঘাটগুলোতে দীর্ঘদিনের জুলুমবাজ চাঁদাবাজদের আধিপত্য ভেঙ্গে দেয়া হবে। কাউকে চাঁদাবাজী করতে দেয়া হবে না। রাজনীতি করতে হলে সবাইকে জবাবদীহিতার মধ্যে আসতে হবে।
হাতিয়াবাসীর উদ্দেশ্যে নিজের নির্বাচনী ইশতিহার ঘোষণা করে তিনি বলেন, এই ইশতেহার হলো সিএনজি চালকের ইশতেহার, এটা ঘাটের শ্রমিকের ইশতেহার, এখানে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। প্রায় ৩৫ মিনিটের বক্তব্যে তিনি ইশতেহারে নদী ভাঙ্গন রোধ, বেড়ীবাঁধ নির্মাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, পর্যটন ও নদী বন্দর স্থাপনের কথা তুলে ধরেন।
এর আগে ১১ দলের নির্বাচনী জনসমাবেশ উপলক্ষে হাতিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা শাপলা কলির প্রতীকের স্লোগান দিয়ে মিছিল করে সভাস্থলে আসেন। পড়ন্ত বিকেলে শেষ নির্বাচনী জনসভাটি হাজারো মানুষ ও সাধারণ কর্মীদের উপস্থিতিতে মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়।



