চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনে একটি মুদি দোকান, তিনটি ব্যাটারিচালিত রিকশা ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পুড়ে গেছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টায় উপজেলার মায়ানী ইউনিয়নের মধ্যম মায়ানী আম্বারাবার দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন— ব্যবসায়ী নুরুল হুদা, সিএনজি চালক পলাশ এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক নুরছাপা, কামরুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিন।
স্থানীয়রা জানায়, রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ করে নুরুল হুদার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দোকানের ভেতরে থাকা বিভিন্ন মালামাল এবং পাশে রাখা যানবাহনে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে দোকানের একটি ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ সব মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। একই সাথে পাশে রাখা একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা এবং তিনটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও পুড়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে দোকান ও যানবাহনগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত নুরুল হুদা বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে আমার অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে দোকানে মালামাল কিনেছি। দোকানটি সাত লাখ টাকা খরচে নতুন করে নির্মাণ করেছি। এছাড়া ফ্রিজ, টিভিসহ মূল্যবান মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। এখন একেবারে পথে বসে গেলাম।’
সিএনজি চালক পলাশ জমি বিক্রি করে সিএনজি ক্রয় করেন। এছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা চালাক নুরছাপা, কামরুল ও জামাল এরা সবাই বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে রিকশা ক্রয় করে পরিবারে আয় রোজগার করে থাকেন।
ফায়ারসার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই আমরা। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এতে একটি মুদি দোকান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও তিনটি ব্যাটারিচালিত রিকশা পুড়ে গেছে।’



