বরিশালের নির্বাচন চিত্র

নগরীতে ভোটার উপস্থিতি কম, গ্রামে বেশি

শহরের সীমানা পেরিয়ে গাঁও-গ্রামের ভোটকেন্দ্রগুলোতে উঁকি দিলে দেখা গেল ব্যতিক্রম চিত্র। অনেকটা উৎসব আমেজে রিকশা ও ভ্যান নিয়ে ছুটছেন ভোটাররা।

আযাদ আলাউদ্দীন, বরিশাল ব্যুরো

Location :

Barishal
৩৩ নম্বর পরমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
৩৩ নম্বর পরমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় |নয়া দিগন্ত

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়েই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় বরিশাল সদর আসনের ১৭৬টি ভোটকেন্দ্রে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে নগরীর নূরিয়া স্কুল, জিলা স্কুল, একে স্কুল, অশ্বিনী কুমার টাউন হল ও মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্র ঘুরে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ভোটারদের খুব একটা উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি।

দু’একজন করে ভোটার আসছেন, নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছেন। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে নারী ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে দেখা গেছে মহিলা কলেজ ও অশ্বিনী কুমার টাউনহল কেন্দ্রে।

এসময় অনেকেই বলছেন, মহিলা ভোটাররা এবার ভোট বিপ্লব ঘটাতে পারেন। শহরের সীমানা পেরিয়ে গাঁও-গ্রামের ভোটকেন্দ্রগুলোতে উঁকি দিলে দেখা গেল ব্যতিক্রম চিত্র। অনেকটা উৎসব আমেজে রিকশা ও ভ্যান নিয়ে ছুটছেন ভোটাররা।

পোলিং এজেন্টরা খুঁজে দিচ্ছেন ভোটার নম্বর। বরিশাল সদর আসনের গুরুত্বপূর্ণ তিনজন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আইনজীবী মো: মজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে নেতাকর্মীদের ভীড় ও তৎপরতা সবচেয়ে বেশি।

হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের পক্ষেও কয়েকটি বুথ চোখে পড়ে নগরীসহ গ্রামের ভোটকেন্দ্রের নিরাপদ দূরত্বে।

তবে মই প্রতীকের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা: মনীষা চক্রবর্তীকে নগরীর কয়েকটি কেন্দ্রে তৎপর দেখা গেছে।

ভোট দেয়ার পর তিন প্রার্থীই ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা ছিলো চেখে পড়ার মতো।