লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে ভিজিএফ চালের ৩০ শতাংশ কার্ড দাবি করার অভিযোগে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সবুজকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (হুঁশিয়ারি) দিয়েছে জেলা বিএনপি।
সম্প্রতি একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়। অডিওতে সবুজকে মদাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ‘এমপি সাহেবের ৩০ পারসেন্ট’ কার্ড দাবি করতে শোনা যায়।
কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি ত্রাণ বিতরণে কোনো নির্দিষ্ট কোটা বা পারসেন্টেজ দেয়ার নিয়ম নেই। দুস্থদের তালিকা অনুযায়ীই এই চাল বিতরণ করা হবে। আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মদাতি ইউনিয়নে তিন হাজার ৩৪৫টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ আসে।
অভিযোগ উঠেছে, শামসুজ্জামান সবুজ চেয়ারম্যানকে ফোন করে জানান যে, ওই বরাদ্দের মধ্যে এক হাজার তিনটি কার্ড এমপির নির্দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের দিতে হবে। অডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এমপি সাহেবের থার্টি পারসেন্ট কার্ড লাগবেই, এটা ওনার ক্লিয়ার ইনস্ট্রাকশন।’
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে সতর্ক করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। লালমনিরহাট জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। ওই নেতার জবাব সন্তোষজনক না হলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সবুজ কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া অডিওটি এডিট করা এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাকে হেয় করতে এটি প্রচার করছে।’



