দশমিনায় চাপিলা নামে জাটকা নিধন

চাপিলা ও চাপলি নামের মাছগুলোর বড় অংশ ইলিশ ছানা। যা ধরা, বহনকরা ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে দাবি করেন সচেতন মহল।

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা

Location :

Patuakhali
চাপিলা নামে জাটকা
চাপিলা নামে জাটকা |নয়া দিগন্ত

পটুয়াখালীর দশমিনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমাণ্য করে চাপিলা নামে জাটকা নিধন চলছে। ইলিশের এই ছোট পোনা চাপিলা ও চাপলি নাম দিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে পাইকারি মাছের বাজারে পাঠানো হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে জাটকা রক্ষায় মৎস্য বিভাগের কর্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া, কেজিরহাট, হাজিরহাট, গোলখালী, কাটাখালী, কালারানী, পাতারচর, চরঘূর্নী ও নদীবেষ্টিত চরবোরহান ইউনিয়নের নদীতে ছোট ফাঁসের কারেন্ট জাল ফেলে অবাধে জাটকা শিকার করছেন জেলেরা। পাশাপাশি এসব নদ-নদীতে বাঁধা জাল ও বেহুন্দীজাল ফেলে আড়াই থেকে তিন ইঞ্চি মাপের ইলিশের পোনা নিধন করছে। এগুলো চাপিলা ও চাপলি নামে বিক্রির জন্য দেশের বিভিন্নস্থানে পাঠানো হচ্ছে।

তেঁতুলিয়া নদীর জেলে আরিফ হোসেন বলেন, ‘আমরা আগে বড় ইলিশ পেতাম এখন আমাদের জালে ছোট ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে। আবার অনেক জেলে মশারি জাল দিয়ে মাছ শিকার করছে।’

অন্য আরেক জেলে ফিরোজ বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কিছু জেলে কারেন্ট জাল ব্যবহার করে নদীতে মাছ শিকার করেন। প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি না থাকায় এসব চাপিলা ও চাপলি নামের মাছ এবং জাটকা নিধন করছেন জেলেরা।’

চাপিলা ও চাপলি নামের মাছগুলোর বড় অংশ ইলিশ ছানা। যা ধরা, বহনকরা ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে দাবি করেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: জসীম উদ্দিন মুঠোফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অফিসে এসে সরাসরি কথা বলার কথা বলেন তিনি।