মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী

জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে ছাতক–দোয়ারার বৈষম্যহীন উন্নয়ন হবে

‘জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে কোনো প্রকার বৈষম্য ছাড়াই অগ্রাধিকারভিত্তিতে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।’

সোহেল মিয়া, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ)

Location :

Dowarabazar
মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী
মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী |নয়া দিগন্ত

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক–দোয়ারা) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী নির্বাচিত হলে কোনো প্রকার বৈষম্য ছাড়াই অগ্রাধিকারভিত্তিতে ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও অবহেলা ও অনিয়মের কারণে ছাতক–দোয়ারার মানুষ এখনো রাষ্ট্রীয় সেবার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিলেও এই দুই উপজেলার মানুষের কল্যাণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা লুটপাটে ব্যস্ত থেকেছে।

তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় এলে এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।’

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে খাইরগাঁও গ্রামে আয়োজিত সাধারণ সভা ও যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় মুরুব্বি মো: ছরকুম আলীর সভাপতিত্বে এবং নরসিংপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুর রহমান ও এখলাসুর রহমান আবিদের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দোয়ারাবাজার উপজেলা জামায়াতের আমীর ডা: হারুন অর রশীদ, জামায়াতে ইসলামীর সুনামগঞ্জ-৫ আসনের মিডিয়া পরিচালক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য খলিলুর রহমান ও বাংলাবাজার ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নরসিংপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আতাউর রহমান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও নরসিংপুর ইউপি যুব ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম, খাইরগাঁও গ্রামের মো: সুরুজ আলী, আব্দুল হেকিম, মাওলানা জুয়েল আমীন ও সুরুজ্জামান শিপু।

সভায় খাইরগাঁও গ্রামের বাসিন্দারা তাদের এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ও দলের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে অনেকে যোগদান করেন। এসময় স্থানীয় কয়েক শতাধিক মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।