নীলফামারীতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। একই সাথে হাড় কাঁপানো শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে জনজীবন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত চলে এ কুয়াশাপাত।
এদিকে গত তিন দিন ধরে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার সাথে শুরু হয়েছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। এ অবস্থায় দরিদ্র, ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষজন পড়েছে চরম দুর্ভোগে। স্বাভাবিক কাজকর্মে নেমে এসেছে স্থবিরতা। তীব্র শীতের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষজন কাজে যেতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে নিদারুণ কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। গরম কাপড়ের অভাবে অনেকে দিনভর খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের বাজার মৌজা গ্রামের কৃষি শ্রমিক মছির উদ্দীন জানান, ভোররাত থেকে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে। কাজে গেলে শরীল ভিজে যাচ্ছে কুয়াশায়। ঘন কুয়াশার দাপটে বোরো বীজতলা রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। হাড় কাঁপানো শীত আর হিমেল বাতাসে মানুষজনের পাশাপাশি জবুথবু হয়ে পড়েছে গবাদি পশু। চট গায়ে দিয়ে দিনভর তাদের রাখা হচ্ছে ঘরে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ লোকমান হোসেন জানান আজ রোববার সকালে নীলফামারীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।



