নড়াইলে বাবা-ছেলেসহ ৪ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬৯ জনের নামে মামলা

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে খলিল শেখ (৭০), তার ছেলে তাহাজ্জত শেখ (৪১), প্রতিবেশী ফেরদাউস হোসেন (৪০) এবং অপরপক্ষের ওসিকুর ফকিরকে (৩৬) কুপিয়ে হত্যা করেন প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় একপক্ষ অন্যপক্ষকে দায়ী করেছে।

ফরহাদ খান, নড়াইল

Location :

Narail
ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী |নয়া দিগন্ত

নড়াইল সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে বাবা-ছেলেসহ চারজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬৯ জনকে আসামি করে একপক্ষ মামলা করেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে নিহত খলিল শেখের ছেলে রুবেল শেখ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া।

এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে খলিল শেখ (৭০), তার ছেলে তাহাজ্জত শেখ (৪১), প্রতিবেশী ফেরদাউস হোসেন (৪০) এবং অপরপক্ষের ওসিকুর ফকিরকে (৩৬) কুপিয়ে হত্যা করেন প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় একপক্ষ অন্যপক্ষকে দায়ী করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে শিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান খায়ের মোল্যার লোকজনের সাথে খলিল শেখের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব-সঙ্ঘাত চলে আসছিল। এর জের ধরে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর রাতে সাহরি খেয়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেয়ার সময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান খায়ের মোল্যার লোকজন দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাড়িতে এসে খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জত শেখ ও প্রতিবেশী ফেরদাউস হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

তবে খায়রুজ্জামান খায়ের মোল্যার লোকজন অভিযোগ করেন, ওই রাতে (২৩ ফেব্রুয়ারি) খলিল শেখের লোকজন আগে ওসিকুর ফকিরকে কুপিয়ে জখম করেন। নড়াইল জেলা হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। হত্যাকাণ্ডের পর নিহত ওসিকুর ফকিরদের সাত থেকে আটটি বাড়িঘরে আগুন দেয়া হয়।