ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাহিরপুর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এতে তাহিরপুর-আনোয়ারপুর সড়কে পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।
রোববার (২১ জুন) সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। এর আগে শনিবার রাত থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়।
স্থানীয়রা জানান, সুরমা, কুলিয়ারা, বৌলাই, যাদুকাটা, চলতি ও রক্তি নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলের সড়কগুলো তলিয়ে গেছে। ফলে হাটবাজারে যেতে মানুষকে নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এছাড়া গোবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন অনেক খামারি।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত রোববারও থেমে থেমে অব্যাহত রয়েছে। সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বর্তমানে বিপদ সীমার ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে তাহিরপুর, মধ্যনগরসহ জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করায় অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা, গোবাদিপশু ও খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওরাদার জানান, আগামী ৪০ ঘণ্টায় আরো ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।



