পুলিশ কনস্টেবল স্বামীর ইউনিফর্ম (পোশাক) পরে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টিকটক করায় রাজশাহীতে মো: সাইফুজ্জামান নামে এক কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সাইফুজ্জামান রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কাশিয়াডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আরএমপি কমিশনার ড. মো: জিল্লুর রহমান এ আদেশ দেন।
কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি ফরহাদ আলী গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার তিনি জানতে পারেন—কনস্টেবল সাইফুজ্জামান বিয়ে না করে সীমা খাতুন নামের এক নারীকে নিয়ে একই বাসায় ভাড়া থাকছেন। আর ওই নারী তার পুলিশ স্বামীর ইউনিফর্ম পরে ভিডিও এবং টিকটক করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। খবর পেয়ে তিনি নিজেই ওই বাসায় যান।
পরে যাচাই করে দেখা যায়, প্রথম স্ত্রীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান ওই নারীকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন। তবে কাবিননামার কাগজপত্র তখনও পাওয়া যায়নি। তবে সীমা খাতুন যে পুলিশের পোশাক পরে টিকটক ও ভিডিও করেছেন তা সঠিক।
বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর বৃহস্পতিবারই তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর রাতেই তিনি থানা ত্যাগ করে আরএমপির পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত হন। সীমা খাতুনের বাবার বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায়।
আরএমপির মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, ‘পুলিশ স্বামীর পোশাক স্ত্রীর পরিধান করার কোনো সুযোগ নেই। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওই কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সীমার বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ বেশ কটি অভিযোগ সামনে এসেছে। সীমা ওই কনস্টেবলের দ্বিতীয় স্ত্রী কিনা বা আরো যেসব অভিযোগ সামনে এসেছে সব কিছুই তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্ত শেষে এব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাতত তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।’



