বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) পরিচালিত “সহকারী প্রোগ্রামার” (৯ম গ্রেড) পদে নিয়োগে চরম অবিচারের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. বোরহান উদ্দিন।
প্রিলিমিনারি, লিখিত ও ভাইভাসহ সকল ধাপ সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে মেধাক্রমে প্রথম স্থান অধিকার করার পরও প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নিজের নাম না পাওয়ায় তিনি স্তব্ধ ও আশাহত হয়েছিলেন। গত ৭ জানুয়ারি নয়া দিগন্তে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বোরহান উদ্দিনের গেজেটভুক্ত হওয়ার খবরে আনন্দিত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। বোরহান নোবিপ্রবির কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসটিই) বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বোরহান বলেন, আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া। সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে গেজেটেড হওয়ার তৌফিক দিয়েছেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের বিশেষ করে সচিব স্যার, জয়েন্ট সেক্রেটারি স্যাররা খুবই পজিটিভ ছিলেন আমার ব্যাপারটা নিয়ে। কিন্তু আনফরচুনেইটলি ভুল রিপোর্টিং কিংবা নেইম মিসম্যাচের কারণে একটা ভুল রিপোর্টিং হয়ে গেছে। স্যাররা শুরু থেকেই ব্যাপারটা নিয়ে পজিটিভ ছিলেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে স্যাররা ব্যাপারটা পুনরায় বিবেচনায় নিয়ে আজকে আমাকে গ্যাজেটেড প্রকাশ করেছেন।
কৃতজ্ঞতার সুরে তিনি বলেন , বিশেষ করে নোবিপ্রবির সহপাঠীরা,তারপর আমার জুনিয়ররা, আমার স্যাররা, নোবিপ্রবি প্রেস ক্লাব ও নয়া দিগন্তের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ওরা আমার ব্যাপারটা নিয়ে এত কনসার্ন ছিল,এত উদ্বিগ্ন ছিল। আমার এই পথচলায় সহযোগিতা করেছে।পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সচিব স্যাররা বিষয়টা নিয়ে খুবই আন্তরিক ছিলেন।



