‘সনদ না থাকায় চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে বছরে ৫০ কোটি ডলার বঞ্চিত বাংলাদেশ’

বর্তমানে বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি ব্র্যান্ড ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সংস্থাটির সদস্য হলেও বাংলাদেশের দুই শতাধিক কারখানার মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ রয়েছে মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠানের।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর

Location :

Gazipur
চামড়া শিল্পে পরিবেশগত প্রভাব শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
চামড়া শিল্পে পরিবেশগত প্রভাব শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত |নয়া দিগন্ত

‘বাংলাদেশে একটি টেকসই চামড়া খাত তৈরি করার লক্ষ্যে চামড়া শিল্পকে এমনভাবে উন্নত করতে হবে যাতে পরিবেশের উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব কমানো যায় এবং শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা যায়। এলডব্লিউজি সনদ না থাকায় চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে বছরে প্রায় ৫০ কোটি ডলার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ।’

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) গাজীপুর সদর উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন আয়োজিত চামড়া শিল্পে পরিবেশগত প্রভাব শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, শিল্প উন্নত দেশগুলোতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি) সনদ প্রয়োজন হয়। পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন নিশ্চিত করাই সংস্থাটির লক্ষ্য। বর্তমানে বিশ্বের এক হাজারেরও বেশি ব্র্যান্ড ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সংস্থাটির সদস্য হলেও বাংলাদেশের দুই শতাধিক কারখানার মধ্যে এলডব্লিউজি সনদ রয়েছে মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠানের।

তারা আরো বলেন, বিশ্ববাজারে চামড়াজাত পণ্যের বাজার প্রায় ৬৫০ বিলিয়ন ডলার হলেও সেখানে বাংলাদেশের অবদান মাত্র এক বিলিয়ন ডলার। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে শুধু পরিবেশ দূষণই কমবে না বরং এলডব্লিউজি সনদ অর্জনের মাধ্যমে উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধি পাবে বহুলাংশে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার খন্দকার আহমেদ শাহেদের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এপেক্স ফুটওয়্যারের এজিএম মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রিভার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: মনির হোসেন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী এ এম এম খাইরুল আনাম, চ্যানেল আই’র গাজীপুর প্রতিনিধি ফজলুল হক মোড়ল, কালের কন্ঠ গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার শরীফ আহমেদ শামীম, সফল উদ্যোক্তাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।