ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর অপারেশনে ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা সবাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম জানান, অভিযানে রংপুরে ৬, গাইবান্ধায় ৩, কুড়িগ্রামে ১০, লালমনিরহাটে ৬, নীলফামারীতে ৯, দিনাজপুরে ১২, ঠাকুরগাঁওয়ে ১ এবং পঞ্চগড় থেকে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রংপুর সদরের চন্দনপাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী রকেট (৪৫), পীরগঞ্জের শানেরহাট ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন চন্দ্র (৪২), গাইবান্ধার পলাশবাড়ির কামারদহ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রনজিত চন্দ্র সরকার (৬২), পলাশবাড়ীর মহদীপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক নওশা সরকার (৪৫), কুড়িগ্রাম সদর ইউনিয়নের মোগলবাসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সৈয়দ আলী (৫৭), ফুলবাড়ির বড়ভিটা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক (৪৫), লালমনিরহাটের আদিতমারীর সাপ্টিবাড়ি ইউনিয়ন যুবলীগ সহ-সভাপতি মানিক মিয়া (৪০), কালিগঞ্জের চন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের (৪৮), নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের পুটিমারী ইউনিয়ন ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি জিয়াউর রহমান (৪০), জলঢাকার বালাগ্রাম ইউনিয়ন কৃষক লীগ সাধারণ সম্পাদক মুসা আলী (৪২), দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা (৬৫), হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নূর ইসলাম (৪৩), ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অভয় কুমার রায় (৬৩), পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহার ইউনিয়ন কৃষক লীগ সভাপতি আশরাফ আলী (৪৪) এবং একই ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আসরাফুল ইসলাম (৩৭) রয়েছেন। বাকি গ্রেফতারকৃতরা সবাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ এবং অঙ্গ ও সহেযাগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
ডিআইজি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা বিভিন্ন মামলার আসামি।
তিনি বলেন, ‘অভিযান অব্যাহত আছে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’



