আইনমন্ত্রী

কাব্য, গান, সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বাঙালির হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন

‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিচর্চা বাঙালির জীবনবোধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলা সাহিত্যও রবীন্দ্রনাথ ছাড়া চিন্তা করা যায় না। মানুষের হৃদয়ের অনুভূতি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির মধ্য দিয়েই গভীরভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব।’

খুলনা ব্যুরো

Location :

Khulna
বক্তব্য রাখছেন আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান
বক্তব্য রাখছেন আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান |নয়া দিগন্ত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘কাব্য, গান, নৃত্য ও সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির হৃদয়ে চির অম্লান হয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতেও প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।’

তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ এমন এক সময় জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যখন বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতিতে বহু মহান ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটেছিল। সাহিত্যের এমন কোনো শাখা নেই যেখানে রবীন্দ্রনাথ বিচরণ করেননি।’

শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিচর্চা বাঙালির জীবনবোধের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলা সাহিত্যও রবীন্দ্রনাথ ছাড়া চিন্তা করা যায় না। মানুষের হৃদয়ের অনুভূতি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির মধ্য দিয়েই গভীরভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘দেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি ও উন্নয়নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। কৃষকদের কল্যাণে তিন ফসলি জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।’

খুলনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো: আব্দুল্লাহ হারুন, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো: রেজাউল হক, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুহাম্মদ বিল্লাল হোসেন খান, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুচি রানী সাহা।

‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক আলোচনায় স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান। অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।