চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পিয়ারাতলা গোরস্থানপাড়া মাঠে আজিল শাহার মাজারের পেছনে একটি ঘাসের জমি থেকে জাহিদ হোসেন (২৭) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত্যুর সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নিহতের পরিবারের দাবি, জাহিদকে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা মাজার সংলগ্ন স্থানীয় ইউনুস আলীর মালিকানাধীন ঘাসের জমিতে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত জাহিদ হোসেন জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা হাইস্কুলপাড়া এলাকার মরহুম আশরাফ আলীর ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে জাহিদ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি জাহিদের বলে শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রেম সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার ভাইকে কৌশলে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সদস্য আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে এটি প্রেমঘটিত বিরোধের ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সহকারী পুলিশ সুপার (জীবননগর-দামুড়হুদা সার্কেল) আনোয়ারুল কবীর, জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ ও তদন্ত কর্মকর্তা রিপন কুমার দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মৃত্যুর কারণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’



