কোটালীপাড়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

‘আমার ছেলের সাথে এলাকার কিছু লোকের পূর্ব ঝামেলা ছিল। এ কারণেই সুযোগ বুঝে কেউ আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যায়নি।’

রনী আহমেদ, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ)

Location :

Kotalipara
কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু
কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় পুলক হালদার (২২) নামে এক কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের বাবার দাবি, তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের পীরার বাড়ি গ্রামে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলক হালদার কোটালীপাড়া উপজেলার পীরার বাড়ি গ্রামের পরিতোষ হালদারের ছেলে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, পুলক হালদার গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে পলোটানা বিলের ভেতরে যান। সেখান থেকে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে জমির পাশের একটি ভিটায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে জানা গেছে, তার নিজ জমির পাশে বীজতলার ইঁদুর দমনের জন্য বিদ্যুতের ফাঁদ পাতা ছিল। পুলক হালদার সেই ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।

এ বিষয়ে পুলক হালদারের বাবা পরিতোষ হালদার বলেন, ‘আমার ছেলের সাথে এলাকার কিছু লোকের পূর্ব ঝামেলা ছিল। এ কারণেই সুযোগ বুঝে কেউ আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমার ছেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যায়নি।’

সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার দুলাল বাড়ৈ বলেন, ‘দেখে মনে হয় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আমাদের ধারণা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়নি। তাকে কেউ হত্যা করে থাকতে পারে।’

এ বিষয়ে কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে দেখা গেছে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে পুলক হালদারের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পুলক হালদারের লাশ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।’