চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছে ইবির শিক্ষার্থীরা : নাহিদ

‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা শুনলে একটা রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে তাদের চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হয়েছে।’

তাজমুল জায়িম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

Location :

Kushtia
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা |নয়া দিগন্ত

চাকরির ক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইবির প্রধান ফটকে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছে ইসলামী ইবি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা শুনলে একটা রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে তাদের চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হয়েছে। আগামীর বাংলাদেশে আমরা এ বৈষম্য দেখতে চাই না। দাঁড়ি, টুপি বা ইসলামিক মাইন্ডের কাউকে দেখলে শিবির ট্যাগ দেয়া হয়েছে। হিজাব-নিকাব দেখলে ছাত্রীসংস্থা ট্যাগ দেয়া হয়েছে। এই ট্যাগের রাজনীতি থেকে আমাদের বের হতে হবে।’

এসময় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ-সমন্বয়ক ইয়াসিরুল কবীর সৌরভ, তানভীর মন্ডল ও গোলাম রব্বানীসহ অন্য সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘জুলাই সনদের জন্য আমরা ৩ আগস্ট শহীদ মিনারে মিলিত হবো। যদি জুলাই সনদ না দেন, তাহলে আমাদের পেছনে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। জুলাই সনদ কোনো কবিতা না, কোনো রাজনৈতিক রেটোরিক না, এটা আমাদের পরবর্তীতে বাঁচার সনদ। এটি দ্বিতীয় বাংলাদেশর তফসিল। এ জুলাই সনদ অবশ্যই দিতে হবে।’

সার্জিস আলম বলেন, ‘আমরা যে চেতনা নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছিলাম সে চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের শহীদদের প্রতি কমিটমেন্ট রক্ষা করতে হবে। আবারো যদি কাউকে দেখেন যে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে ভুল পথে হাঁটছে, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, মামলা বাণিজ্য, লুটপাট ও খুনখারাবি করছে- সেটা যদি আমাদের সহযোদ্ধা বা কোনো বড় রাজনৈতিক দল হোক, তাদের বিরুদ্ধে আপনাদের দাঁড়াতে হবে। যেদিন আমরা কোনো ব্যক্তি বা দলকে ভয় পেয়ে প্রশ্ন করা ছেড়ে দেবো, সেদিনই আরেকজন ফ্যাসিস্ট তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হবে।’