কুমিল্লার লালমাইয়ে এনায়েতুর রহমান বাহার (৩৫) নামে এক প্রতিবন্ধী যুবককে ঘরে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জুমা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত জুমা আক্তারকে আটক করেছে।
শনিবার (২৭ জুন) উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দত্তপুর পূর্বপাড়ায় প্রবাসী সুমন চৌধুরীর বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এনায়েত রহমান ও প্রবাসী সুমন চৌধুরী পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় এনায়েতের পরিবারের ওপর ক্ষুব্ধ হয় প্রবাসীর পরিবার। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
এক মাস আগে ছুটিতে এসে সুমন চৌধুরী তার স্ত্রীকে বিরক্তের অভিযোগ তোলেন এনায়েতের বিরুদ্ধে। কিন্তু এনায়েত রহমান শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় অভিযোগটি মধ্যস্থকারীরা আপস-মীমাংসা করে দেয়। গত চার দিন আগে সুমন চৌধুরী প্রবাসে চলে যান।
নিহতের মা নেহারা বেগম বলেন, আমার ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী। দুই হাতের কবজি ও আঙ্গুল দিয়ে কিছু করতে পারতো না। প্রতিবেশী সৌদি প্রবাসী সুমন চৌধুরীদের সাথে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে আমার ছেলেদের বিরোধ ছিল। শনিবার সকালে ফজরের নামাজের পর প্রবাসীর স্ত্রী জুমা নিজের ঘরে আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে। হত্যার দায়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।



