ভূষণছড়া গণহত্যার ৪১ বছর : বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি পিসিসিপির

রোববার (৩১ মে) আসরের নামাজের পর রাঙ্গামাটি শহরের কাঠালতলী জামে মসজিদে আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এ দাবি জানানো হয়।

পুলক চক্রবর্তী, রাঙ্গামাটি

Location :

Rangamati
ভূষণছড়া গণহত্যার ৪১তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণ
ভূষণছড়া গণহত্যার ৪১তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণ |নয়া দিগন্ত

রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার ভূষণছড়া গণহত্যার ৪১তম বার্ষিকীতে নিহতদের স্মরণ করে বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।

রোববার (৩১ মে) আসরের নামাজের পর রাঙ্গামাটি শহরের কাঠালতলী জামে মসজিদে আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে এ দাবি জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পিসিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি মো: তাজুল ইসলাম তাজ। প্রধান অতিথি ছিলেন পিসিসিপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মো: হাবীব আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলী শিকদার, ওলামা দলের রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম, পিসিসিপির সহ-সভাপতি মো: বখতিয়ার উদ্দিন ও সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজ।

বক্তারা বলেন, ১৯৮৪ সালের ৩১ মে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত বরকল উপজেলার ভূষণছড়ায় সংঘটিত হামলায় চার শতাধিক বাঙালি নিহত হন। হত্যাকাণ্ড, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় ১ হাজার ৬০০’র বেশি বাঙালি পরিবার।

তারা অভিযোগ করেন, ঘটনার চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো মামলা বা বিচার হয়নি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোও কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি।

বক্তারা ভূষণছড়া গণহত্যাসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, পাহাড়ে যৌথ অভিযান জোরদার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় স্থানে সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।

আলোচনা শেষে ভূষণছড়া গণহত্যায় নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।