চট্টগ্রাম-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ‘বল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহম্মদ কবির করিম।

Location :

Fatikchhari
চট্টগ্রাম-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী
চট্টগ্রাম-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী |নয়া দিগন্ত

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে নতুন মোড় এসেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ‘বল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহম্মদ কবির করিম।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি নিজেই এই ঘোষণা দেন।

সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কারণ হিসেবে অ্যাডভোকেট কবির করিম জানান, বৃহত্তর জনস্বার্থ রক্ষা, ইনসাফ কায়েম এবং ফটিকছড়ির সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষে তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ‘একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচারের পথ প্রশস্ত করতে আমি স্বেচ্ছায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে অধ্যক্ষ নুরুল আমিনকে সমর্থন দিচ্ছি।’

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মাঠ ছাড়ছেন না কবির করিম। বরং ফটিকছড়ির আপামর জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ ও জনগণের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে এবং ফটিকছড়িতে টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় সবাই যেন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে বিজয়ী করেন।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, অধ্যক্ষ নুরুল আমিন একজন সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত জননেতা। তার নেতৃত্বেই এ জনপদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে।

ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল জব্বার, উপজেলা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দীন ইমু, মাওলানা ইউছুপ বিন সিরাজ, অ্যাডভোকেট ইসমাঈল গণি, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ লোকমান, রেজাউল করিমসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কবির করিমের এই সরে দাঁড়ানো এবং জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থনের ফলে ফটিকছড়ির নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন প্রাণসঞ্চার হয়েছে এবং ভোট প্রাপ্তির সমীকরণে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।