গাজীপুরের টঙ্গীতে ট্রাভেল ব্যাগে পাওয়া মাথাবিহীন খণ্ডিত লাশের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তিনজনকে গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১)।
রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান এ তথ্য জানান।
উত্তরাস্থ র্যাব-১ এর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, র্যাব-১ ও র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে শনিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে আপেল মাহমুদ সাদেক (৪২), সাজ্জাদ হোসেন রনি (২৫) ও শাওন বেগমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন, তিনটি সিম কার্ড ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের মাছিমপুর এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় দু’টি ট্রাভেল ব্যাগ পাওয়া যায়। এক সময় এর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ব্যাগ খুলে যুবকের অর্ধগলিত ও মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে জানা যায়, নিহতের নাম অলি মিয়া (৩৫)। তার বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর গ্রামে।
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল আশিকুর রহমান আরো জানান, তদন্ত চলাকালে জানা যায় যে নিহত অলি মিয়া সম্প্রতি হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আপেল মাহমুদ সাদেকের সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়ালে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন আপেল। পূর্ব বিরোধের জেরে এতে যোগ দেন সাজ্জাদ ও আপেলের স্ত্রী শাওন।
বুধবার সকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অলিকে বাসায় এনে দড়ি ও বেল্ট দিয়ে বেঁধে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তারা। সেদিন লাশ লুকিয়ে রাখলেও শুক্রবার ভোরে লোকসমাগম কম থাকায় ব্যাগে করে লাশ এনে রাস্তায় ফেলে যান তারা।
সূত্র : বাসস



