প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘সিলেটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যারা অবনতি ঘটাচ্ছে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। আমরা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি, ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে।’
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই কোনোভাবেই সিলেটে এসব কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। আমরা একটি নিরাপদ সিলেট চাই।’
শনিবার (৭ মার্চ) নগরীর মির্জাজাঙ্গাল মণিপুরী রাজবাড়িতে আয়োজিত হোলি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা শান্তির সিলেট চাই। তাই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে কি-না সে বিষয়টিও দেখা হবে।’
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘মণিপুরী সম্প্রদায়ের লোকজন দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমান এই সম্প্রদায়ের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এখনো সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে।’
অ্যাকাডেমি ফর মণিপুরী কালচার অ্যান্ড আর্টসের সভাপতি দিগেন সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, ভারতের মণিপুরের স্টেট কলা অ্যাকাডেমির ইলাংবাম জয়ন্ত সিংহ, সিলেট দেবালয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি প্রশান্ত কুমার সিংহ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শরদিন্দু ভট্টাচার্য, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়া প্রমুখ।



