চারখাই-শেওলা চার লেন প্রকল্প বাতিলের ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না বলে মন্তব্য করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, বিএনপির কেন্দ্রীয় ফরেইন অ্যাফেয়ার্স টিমের সদস্য ও সিলেট-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকার গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারকে অবহেলিত জনপদে পরিণত করে গেছে। ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সিলেট-চারখাই-শেওলা সড়ক একটি আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য সড়ক। যার অর্থনৈতিক গুরুত্ব ব্রিটিশ আমল থেকেই স্বীকৃত। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক আমদানি-রফতানি পণ্য এই সড়ক দিয়ে পরিবহন করে জাতীয় মহাসড়কে যুক্ত হয়। সুতরাং এমন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাতিলের ষড়যন্ত্র মেনে নেয়া হবে না।
তিনি বলেন, ‘সিলেটের জেলা প্রশাসক সিলেট বিদ্বেষী মনোভাব পোষণের মাধ্যমে আমাদেরকে উন্নয়ন বঞ্চিত রাখতে উঠেপুড়ে লেগেছেন। আমরা শুনেছি তিনি নাকি রিপোর্ট দিয়েছেন, সিলেট-চারখাই-শেওলা চার লেন প্রকল্পের দরকার নেই। শুল্ক স্টেশন কোনো কাজে আসে না। অথচ এই সড়ক দিয়েই শেওলা-সূতারকান্দি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানি হয়। এছাড়া বিয়ানীবাজারের দু’টি ও গোলাপগঞ্জের (কৈলাশটিলা) পাঁচটি গ্যাস কূপের তেল-গ্যাস প্রতিদিন বিরাট বিরাট লরি দিয়ে পরিবহন করা হয়। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের প্রকল্পকে বাতিলে সিলেটের জেলা প্রশাসকের ষড়যন্ত্র গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারবাসী মেনে নেবে না। অবিলম্বে এই প্রকল্পের কাজ চালু করতে হবে। অন্যথায় সিলেট ডিসি অফিস ঘেরাও কর্মসূচি দেয়া হবে।’
শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪ নম্বর শেওলা ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিকদল, কৃষকদলসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিমিয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম তাজুলের সভাপতিত্বে ও যুবদল নেতা মিজু আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল ফাত্তাহ বক্সি, উপজেলা সদস্য আব্দুর রউফ খান মাস্টার, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আলী হাসান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমদ, শেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, জেলা কৃষক দলের সদস্য এ এইচ তানভীর আহমদ, বিয়ানীবাজার পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম আহমদ প্রমুখ।



