গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবদুল জলিল বলেছেন, কৃষক দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। কৃষকদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কৃষি সম্প্রসারণ এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নে জেলা তথ্য অফিস আয়োজিত কৃষক সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
আবদুল জলিল বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য ১০ ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সার ও বীজ সহায়তা, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে বীমা সুবিধা, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং দুর্যোগের আগাম বার্তা মোবাইল ফোনে পৌঁছে দেওয়াসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা।
মহাপরিচালক আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণই রাষ্ট্রের মালিক। জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব হলো জনগণের কল্যাণে কাজ করা। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সিলেট জেলা তথ্য অফিসের সহকারী তথ্য কর্মকর্তা আফসানা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিহাব সারার অভি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গৌতম পাল এবং সিলেট জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম রুমেল।
সমাবেশে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।



